পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন প্রতিষ্ঠান যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের পর্ষদ সভা আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন ও বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ টাকা ৬০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২০ টাকা ৮১ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১৭ টাকা ১ পয়সায়, গত ৩০ জুন শেষে যা ছিল ২০৫ টাকা ৪৯ পয়সা।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে যমুনা অয়েলের ইপিএস হয়েছে ৩০ টাকা ৮৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৬ টাকা ৮৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০৫ টাকা ৪৯ পয়সায়, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৮৯ টাকা।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল যমুনা অয়েল। ২০২০-২১ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের ১২০ শতাংশ নগদ দিয়েছিল যমুনা অয়েল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৮ টাকা ২৪ পয়সা, যা আগের বছরে ছিল ১৮ টাকা ১৩ পয়সা। ২০১৯-২০ হিসাব বছরেও ১২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরেও একই হারে নগদ লভ্যাংশ দেয় তারা। এছাড়া ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে ১১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
যমুনা অয়েলের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
২০০৭ সালে তালিকাভুক্ত যমুনা অয়েলের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১০ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।